ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক ঘোষণা করা হয়েছিল।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • ১৮৪ Time View

বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় এক নাম শেখ মুজিবুর রহমান। ৩ মার্চ ১৯৭১ সালে তাকে ‘জাতির জনক’ ঘোষণা করা হয়। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অসামান্য নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা ও ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এ সম্মানে ভূষিত হন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের পেছনের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত ও ঐক্যবদ্ধ করে তোলে। সেই আহ্বানেই শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ, যার মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্ব নয়, প্রাচীন বাঙালি সভ্যতার আধুনিক রূপকার হিসেবেও তাকে বিবেচনা করা হয়। জাতির আত্মপরিচয়, ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাধিকার আন্দোলনে তার অবদান বাঙালির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জনসাধারণের কাছে তিনি “বঙ্গবন্ধু”, “শেখ মুজিব” ও “শেখ সাহেব” নামেই অধিক পরিচিত ছিলেন। তার আদর্শ, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও মানবতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে চলেছে।

এই সময়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত থেকে এলো আরো ৭ হাজার টন ডিজেল, মার্চ মাসেই ভারত থেকে মোট আমদানি ২২ হাজার টন ডিজেল।

আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক ঘোষণা করা হয়েছিল।

Update Time : ০৩:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় এক নাম শেখ মুজিবুর রহমান। ৩ মার্চ ১৯৭১ সালে তাকে ‘জাতির জনক’ ঘোষণা করা হয়। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অসামান্য নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা ও ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এ সম্মানে ভূষিত হন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের পেছনের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত ও ঐক্যবদ্ধ করে তোলে। সেই আহ্বানেই শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ, যার মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্ব নয়, প্রাচীন বাঙালি সভ্যতার আধুনিক রূপকার হিসেবেও তাকে বিবেচনা করা হয়। জাতির আত্মপরিচয়, ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাধিকার আন্দোলনে তার অবদান বাঙালির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জনসাধারণের কাছে তিনি “বঙ্গবন্ধু”, “শেখ মুজিব” ও “শেখ সাহেব” নামেই অধিক পরিচিত ছিলেন। তার আদর্শ, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও মানবতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে চলেছে।

এই সময়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।