মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্ধারিত সময়ে ব্যয়ের হিসাব দেয়নি বিএনপি-এনসিপিসহ ২৫ দল নিউজ ফেয়ার ও স্বকালচিত্র পত্রিকা কর্তৃক দেশের কল্যাণে মিডিয়ার ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব জিয়াউর রহমানের শ্রমনীতি শ্রম কল্যাণের ভিত মজবুত করেছে : রাষ্ট্রপতি ইরান বিষয়ে ট্রাম্পকে নতুন পরিকল্পনা জানাল মার্কিন সামরিক বাহিনী ১৭ জেলার জন্য আবহাওয়ার সকর্তবার্তা, কালবৈশাখীর শঙ্কা আজ বৌদ্ধ নেতাদের সংবর্ধনা দেবেন রাষ্ট্রপতি স্পিকারের সাথে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হরমুজে প্রতিবন্ধকতা বিশ্ব অর্থনীতিকে ‘শ্বাসরুদ্ধ’ করছে : জাতিসংঘের মহাসচিব রাশিয়াকে শায়েস্তা করতে ইসরায়েলের দ্বারস্থ ইউক্রেন

অন্তবর্তীকালীন সরকার সংবিধানের ৭ (ক) অনুচ্ছেদ লংঘন করেছে একাত্তর পার্টি’র সাধারণ সম্পাদক, মোঃ নাজিম হোসেন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৯১ Time View

বাংলাদেশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘন, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা খর্ব করা এবং দেশজুড়ে মব সন্ত্রাস উসকে দেওয়া।

রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখা।ড. ইউনূস অন্তত ১৪-১৫ বার বিদেশ সফর করলেও একবারও রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিফ না করা, যা সাংবিধানিক প্রটোকলের লঙ্ঘন।

নির্বাচনের ঠিক আগে আমেরিকার সাথে দেশ বিরোধী গোপন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি করা হলেও রাষ্ট্রপতিকে সে বিষয়ে কিছু না জানানো।

রাষ্ট্রপতিকে অসাংবিধানিক ভাবে অপসারণ করে একজন সাবেক প্রধান বিচারপতিকে সেই পদে বসানোর চেষ্টা, যা সংবিধান পরিপন্থী।

অন্তবর্তীকালীন সরকারের পুরো শাসনামলে দেশজুড়ে প্রতিনিয়ত মব সন্ত্রাস, মব ভায়োলেন্স ও মানবাধিকার লঙ্ঘন।বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও প্রথম সাত মাসেই মব ভায়োলেন্সে অন্তত ১১৯ জনের প্রাণ হারানো।

গণগ্রেপ্তার ও বিরোধী মত দমন-পীড়নে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার করে রাজনৈতিক বিরোধীদের গ্রেপ্তার করছে। সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং কালাকানুন ব্যবহার। বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম যেমন The Daily Star ও Prothom Alo-এর অফিসে হামলা।

মুক্তিযুদ্ধের সম্মান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কার্যক্রমের সম্মতি ও বিচার না করা। ধানমন্ডি ৩২ ভাঙ্গা ও মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান, অবমাননা, মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা।

দেশের বিভিন্ন স্থানে জাতীয় বীরদের লাঞ্ছনা, খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা, যার মধ্যে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানুকে লাঞ্ছনার ঘটনাটি উল্লেখযোগ্য।

আমাদের জাতীয় গৌরব ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ওপর ধারাবাহিকভাবে আঘাত, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিকৃতি,
মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় হস্তক্ষেপ করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার নামে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যাচাই-বাছাইয়ের উদ্যোগ ও অপমান।

যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট, মেট্রোরেলে আগুনের কথা ও পুলিশ হত্যার দ্বায় প্রকাশ্যে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।যারা সশস্ত্র স্নাইপার ট্রেনিং, প্রতিরোধ ও যুদ্ধ করার প্রস্তুতি কথা নিজ মুখে স্বীকার করেছে তাদের বিচার যেন না করতে পারে সে জন্য  ইউনুস সরকার দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করে যা “জুলাই গণঅভ্যুত্থান (রক্ষণ ও দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ, ২০২৬” জারির মাধ্যমে অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া।

অন্তবর্তী কালীন সরকার মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বিরোধী কালো-আইন ও অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে  গত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস বাতিল করে এবং রাষ্ট্রীয় ক্যালেন্ডার থেকে তা অপসারণ করায় তীব্র সমালোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ একাত্তর পার্টি একে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছে।

১৯৭২ সালের পবিত্র সংবিধানের প্রতি অশ্রদ্ধা,অসম্মান, না মানা ও প্রতিনিয়ত সংবিধান বাতিলের চেষ্টার বিরুদ্ধে ৩৬ জন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের প্রতি অবমাননা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বাংলাদেশ একাত্তর পার্টি’ সাধারণ সম্পাদক, মো:নাজিম হোসেন বলেন ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস ও উপদেষ্টা পরিষদের সকলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদ লংঘন করেছে যা রাষ্ট্রদ্রোহীতা হিসেবে গন্য।

তিনি বলেন আমাদের সংবিধানে স্পষ্ট করে বলা আছে কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় সংবিধান বা এর কোন অনুচ্ছেদ বাতিল, রোহিত বা স্থগিত করলে অথবা করার উদ্যোগ নিলে বা ষড়যন্ত্র করলে তিনি অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

যদি কেউ এ ধরনের কাজে সহায়তা বা সমর্থন দান করেন, তবে তিনিও সমভাবে অপরাধী বলে বিবেচিত হবেন।অর্থাৎ অন্তবর্তীকালীন সরকারের সকলের সংবিধান লঙ্ঘনকারী ও অপরাধী।

তিনি আরও বলেন সংস্কারের নামে ইউনুস সরকারের অনেক সিদ্ধান্ত সংবিধানের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক ছিল, যা দেশে একটি দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি করেছে।

তিনি বলেন বর্তমানে নবনির্বাচিত সরকার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আশা করি বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকার অন্তবর্তীকালীন সরকারের নেওয়া মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী সকল কালো আইন বাতিল করে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন এবং রাষ্ট্রীয় ক্যালেন্ডারে তা অন্তর্ভুক্তি করে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষা করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© 2026 All rights reserved © eisomoyebangladesh
কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs
ThemesBazar-Jowfhowo