শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্ধারিত সময়ে ব্যয়ের হিসাব দেয়নি বিএনপি-এনসিপিসহ ২৫ দল নিউজ ফেয়ার ও স্বকালচিত্র পত্রিকা কর্তৃক দেশের কল্যাণে মিডিয়ার ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব জিয়াউর রহমানের শ্রমনীতি শ্রম কল্যাণের ভিত মজবুত করেছে : রাষ্ট্রপতি ইরান বিষয়ে ট্রাম্পকে নতুন পরিকল্পনা জানাল মার্কিন সামরিক বাহিনী ১৭ জেলার জন্য আবহাওয়ার সকর্তবার্তা, কালবৈশাখীর শঙ্কা আজ বৌদ্ধ নেতাদের সংবর্ধনা দেবেন রাষ্ট্রপতি স্পিকারের সাথে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হরমুজে প্রতিবন্ধকতা বিশ্ব অর্থনীতিকে ‘শ্বাসরুদ্ধ’ করছে : জাতিসংঘের মহাসচিব রাশিয়াকে শায়েস্তা করতে ইসরায়েলের দ্বারস্থ ইউক্রেন

সংসদ নেই, স্পিকার নেই; শপথ পড়াবেন কে ?

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৩৪ Time View

নির্বাচনের পর সরকার গঠন করবে কোন দল? উত্তরটা সবারই জানা, যে দল বা জোট বিজয়ী হবে বা সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন পাবে তারাই গঠন করবে সরকার।

এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বিএনপি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্টতা অর্জন করেছে, অর্থাৎ ১৫০টি আসনের বেশি পেয়েছে।

তবে নতুন সরকার গঠন হবে কীভাবে বা তার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া কী হবে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, এই ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া বা নতুন সরকার গঠনের শুরুটা হবে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। তবে এই শপথের প্রক্রিয়া নিয়েও এবার তৈরি হয়েছে কিছু অনিশ্চয়তা।

শপথ কত দিনের মধ্যে নিতে হয়?
উত্তরটা হচ্ছে, সাধারণত নিবাচনের ফলাফল সরকারিভাবে প্রকাশ বা গেজেট প্রকাশের তিনদিনের মধ্যে শপথ পড়ানো হয়।
কিন্তু এখানে একটা কথা আছে। সাধারণভাবে নির্বাচন কমিশন থেকে যে বেসরকারি ফল যাওয়া যায় একদিন বা দুইদিনের মধ্যে, সেটা কিন্তু আনুষ্ঠানিক ফলাফল হিসেবে গণ্য হয় না। মানে সেই ফলাফল ঘোষণার তিন দিনের মধ্যে শপথ নিতে হবে এমনটা নয়।

সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল ‘সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত’ হতে হবে।

সেক্ষেত্রে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পর প্রজ্ঞাপন হতে আরো কয়েকটা দিন বাড়তি সময় লাগতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব গণমাধ্যকে ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, তার মতে নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ ১৮ই ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না।

গত পাঁচই ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব এক ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, “সবচেয়ে দ্রুত সময়ে (ক্ষমতা) হস্তান্তর হবে। … এটা তিন দিনের মধ্যে হয়ে যেতে পারে। ১৫, ১৬ ফেব্রুয়ারিতে হতে পারে। আমার মনে হয় না এটি ১৭, ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে”।

সেক্ষেত্রে এটা স্পষ্ট যে, সব ঠিক থাকলে নির্বাচনের পরে ছয় দিনের মধ্যেই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© 2026 All rights reserved © eisomoyebangladesh
কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs
ThemesBazar-Jowfhowo