ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রচুর পরিমাণে গোলাবারুদ রয়েছে এবং নতুন অস্ত্র উৎপাদনও চলছে। তিনি সামরিক তথ্য ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন।
অন্যদিকে, কিছু প্রতিবেদন ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বক্তব্যে বলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা ইরান সংঘাতে বিশেষ কিছু দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুতের ওপর চাপ পড়েছে।
একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্র সরবরাহের ক্ষেত্রে চাপের মুখে রয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে কয়েক মাসের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু উচ্চ-নির্ভুল দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে গেছে।
ট্রাম্প জানান, মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলো উৎপাদন বাড়াচ্ছে, বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট ও টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।