বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এথনিক ক্লিনজিং কি চলতেই থাকবে? সরকারের সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ দল বদলের সরকার নয়- দরকার রাষ্ট্রীয় কাঠামো বদলের সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ আসিফ নজরুলের গ্রেফতার চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গণতন্ত্রকে রক্ষা করাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব : রাষ্ট্রপতি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ৪ দেশে ১১ হাজার কোটি পাচার ও নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগ: আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান কদমতলী থানা প্রেসক্লাব ঘিরে বিরোধ: কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন, বাড়ছে বিভাজনের আশঙ্কা শান্ত হচ্ছে সাগর, চার বন্দরে নামলো বিপদের লাল নিশানা

জেল হত্যা দিবসে জাতীয় চারনেতার প্রতি বাংলাদেশ একাত্তর পার্টি’র বিনম্র শ্রদ্ধা।

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৮০ Time View

 

৩ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অত্যন্ত বেদনার ও কলঙ্কিত দিন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সেনাবাহিনীর দ্বারা ধানমন্ডির তার নিজস্ব বাসভবনে সপরিবারে হত্যার পর তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মোস্তাক আহমেদ নিজেকে রাষ্টপতির পদে আসীন করে সামরিক শাসন জারি করে ও ২২শে আগস্ট মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতাকে গ্রেফতার করে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায়।

২ মাস ১৯ দিন পর একই বছরের ৩ নভেম্বর গভীর রাতে সেনাসদস্যরা দেশত্যাগ করার পূর্বে খন্দকার মোস্তাক আহমেদ এর অনুমতি নিয়ে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং সেখানে বন্দি অবস্থায় থাকা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী তৎকালীন জাতীয় চার নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আজীবন রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের অস্থায়ী সরকারের প্রধান নেতৃবৃন্দ সর্বজনাব সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিরাপদ প্রাচীরের ভেতর গুলি করে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই জেলহত্যা শুধু চারজন ব্যক্তিকে হত্যা নয়; ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীন বাংলাদেশের আদর্শ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে নিশ্চিহ্ন করার গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। এই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দেশকে নেতৃত্বহীন করে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন ধ্বংস এবং পরাজিত শক্তিকে পুনরায় রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করার পথ উন্মুক্ত করা হয়েছিল।

জাতির পিতার পরম বিশ্বস্ত এই চার জাতীয় নেতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়নে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু যখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী তখন এই জাতীয় নেতাগণ প্রবাসী সরকারের নেতৃত্বে থেকে যুদ্ধ পরিচালনা, কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁদের দেশপ্রেম, নিষ্ঠা, সততা ও আত্মত্যাগ আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আমি বাংলাদেশ একাত্তর পার্টি’র পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ৩ নভেম্বরে শহিদ জাতীয় নেতাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

লেখক- মোঃ নাজিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ একাত্তর পার্টি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© 2026 All rights reserved © eisomoyebangladesh
কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs
ThemesBazar-Jowfhowo