ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত সংলগ্ন একটি বাড়িতে ১৩ দিন আটকে রেখে এক তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বুধবার কানাইঘাট উপজেলার দানা পট্টিপাড়া গ্রামের আব্দুর রহমান ডালুর ছেলে নাইম উদ্দিন (২২) কে আটক করেছে পুলিশ।
ভাগ্নের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করায় সিলেটে এক ব্যক্তি নিহত।
মামলা ও পুলিশের ভাষ্যমতে, শেরপুর জেলার বাসিন্দা ২০ বছর বয়সী ওই নারী প্রায় নয় মাস আগে সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন এবং হায়দ্রাবাদে পোশাকের ব্যবসা করতেন।
২০ আগস্ট, জাহাঙ্গীর নামের এক আত্মীয়ের সাহায্যে বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করার সময় তিনি ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে গ্রেপ্তার হন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মানবিক কারণে বিএসএফ তাকে জেলে না পাঠিয়ে কানাইঘাটের দানা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে।
সীমান্ত পার হওয়ার পর শানুর আহমেদ, নাইম উদ্দিন ও কাউসারসহ ছয় যুবক তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রলুব্ধ করে অপহরণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এরপর তারা তাকে শানুরের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ১৩ দিন আটকে রাখে, যেখানে তারা তাকে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য নাজিম উদ্দিনের সহায়তায় মহিলাটি বুধবার বন্দিদশা থেকে পালাতে সক্ষম হন এবং কানাইঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ওসি জানান, পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে নাইমকে গ্রেপ্তার করেছে।
তিনি জানান, ওই মহিলাকেও পরীক্ষার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।